চার দশকের ক্যারিয়ারে টমের প্রথম অস্কার

লেখক: ডিএল ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ দিন আগে

বলিউড ও হলিউডের পর্দার বিশাল তারকা টম ক্রুজ সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৬তম গভর্নর অ্যাওয়ার্ডসে সম্মানসূচক অস্কার পেলেন। গত রোববার রাতে এই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন নির্মাতা আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এটি টম ক্রুজের অন্যতম বড় অর্জন, যিনি এ পর্যন্ত চারবার অস্কারের জন্য মনোনীত হলেও প্রতিযোগিতামূলক অস্কার জিততে পারেননি।

চলতি বছর এ অনুষ্ঠানে আরও সম্মাননা পেয়েছেন কোরিওগ্রাফার ও অভিনেত্রী ডেবি অ্যালেন এবং প্রোডাকশন ডিজাইনার উইন থমাস। এছাড়া সংগীতশিল্পী ও মানবাধিকারকর্মী ডলি পার্টন পান জিন হারশল্ট মানবিকতা পুরস্কার; তবে স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

অস্কার গ্রহণের পর টম ক্রুজ বলেন, বিশ্বজুড়ে দর্শকদের সঙ্গে তার সংযোগ তাঁর জীবন ও কাজের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কথা বলার সময় ৬৩ বছর বয়সী এই তারকা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পর্দার সামনে-পেছনের অক্লান্ত পরিশ্রমী কলাকুশলীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

টম ক্রুজ বলেন, “সিনেমা আমাকে সারা পৃথিবী ঘুরিয়েছে। এটি আমাকে শেখিয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও মতপার্থক্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে। আমরা যেখান থেকেই আসি না কেন, প্রেক্ষাগৃহে একসাথে হাসি, কাঁদি, আশা করি—এটাই সিনেমার শক্তি। সিনেমা শুধু আমার পেশা নয়, এটি আমার পরিচয়।”

এরপর টম শৈশবের কথা স্মরণ করেন। খুব ছোটবেলায় সিনেমা তাঁকে বিস্মিত করেছিল এবং নতুন ভাবনার খোরাক জুগিয়েছিল। তিনি বলেন, “অতি অল্প বয়সেই সিনেমার প্রেমে পড়ি। অন্ধকার হলে প্রজেক্টরের আলো যখন পর্দায় বিস্ফোরণ ঘটাত, মনে হতো পরিচিত পৃথিবীর বাইরে আরেকটি বিশাল জগৎ খুলে যাচ্ছে। ভিন্ন সংস্কৃতি, জীবন ও প্রকৃতি—সবই যেন নতুন চোখ খুলে দিত। সেই আলোই আমার মধ্যে কৌতূহল, সাহসিকতার ক্ষুধা, জ্ঞানার্জনের আগ্রহ এবং মানবতাকে বোঝার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তুলেছিল। শৈশবে পর্দায় দেখা সেই আলোর রেখাই আমাকে দেখিয়েছে, চাইলেই নিজের সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া যায়।”

আরও পড়ুন  ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে অমিতাভ বচ্চনের শোক