ইনজুরি নিয়েই মাঠে ৯০ মিনিট নেইমার ,পেলেন গোলও

লেখক: ডিএল ডেস্ক
প্রকাশ: ২ দিন আগে

সান্তোসের চিকিৎসক দল থামানোর চেষ্টা করলেও ইনজুরি নিয়ে খেলতে নেমে পড়লেন নেইমার জুনিয়র। খেললেন পুরো ৯০ মিনিট। আর সেই সাহসী সিদ্ধান্তের ফলও মিলল—এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে দলকে অবনমন অঞ্চল থেকে ওপরে তুললেন তিনি।

শনিবার ভোরে ব্রাজিলিয়ান লিগে ঘরের মাঠে স্পোর্তকে ৩–০ ব্যবধানে হারায় সান্তোস। নেইমারের গোল–অ্যাসিস্টের ওপর দাঁড়িয়েই আসে এই জয়।

২০ নভেম্বর মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বাঁ হাঁটুর মেনিস্কাস ইনজুরিতে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন নেইমার। সে চোটের কারণে অস্ত্রোপচারে গেলে পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যেত। তবুও ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেন—যদিও সান্তোসের মেডিকেল টিম তার বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছিল।

দল যখন অবনমন অঞ্চলে নেমে গেছে, আর বিশ্বকাপ দলেও জায়গা নিশ্চিত করতে মাঠে থাকা জরুরি—সব মিলিয়ে ঝুঁকিই নিলেন নেইমার। ২৫ নভেম্বর বেঞ্চে বসে তার দলকে পয়েন্ট হারাতে দেখেছিলেন। তাই স্পোর্তের বিপক্ষে তিনি নামলেন পুরো শক্তি নিয়ে।

মাঠে নেমেই নেইমার ছন্দ খুঁজে পান। ১২তম মিনিটে প্রথম গোল করানোর সুযোগ সৃষ্টি করেন। ২৫তম মিনিটে গিলহের্মের পাস থেকে চার ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দলকে এগিয়েও দেন তিনি। বিরতির আগেও আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেন, যদিও স্পোর্ত গোলরক্ষক তাঁকে বারবার আটকে দেন।

প্রথমার্ধে আত্মঘাতী এক গোল উপহার দেয় স্পোর্ত। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে সান্তোস। ৬৭তম মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে জোয়াও শমিদ হেডে ব্যবধান বাড়ান। ৯০তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন নেইমার—ততক্ষণে ম্যাচ জয়ের ভিত্তি পাকা।

অতিরিক্ত সময়ে দুই দলই আর গোলের দেখা পায়নি। জয় নিয়ে লিগ টেবিলে কিছুটা স্বস্তি পেল সান্তোস। ৩৬ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তারা উঠে এসেছে ১৫তম স্থানে। রেলিগেশন এড়াতে জুভেনতুদে ও ক্রুইজেরোর বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচেও দলকে লড়াই চালাতে হবে।

আরও পড়ুন  জাহানারার অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন